সংসদ ও আইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সংসদ ও আইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৬ মে, ২০২৬

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম নবনির্বাচিত এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছেন। 

আজ (বুধবার দুপুর ১২টায় পর তিনি সংসদে শপথ নেন। সংসদ সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সংসদ ভবনের নিজ কার্যালয়ে নুসরাতের শপথ বাক্য পাঠ করান সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। 

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

শপথ গ্রহণ শেষে নববির্বাচিত সংসদ-সদস্য রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের রুমে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। শপথ অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের চিফ হুইপ, সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গত ২১ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ছিল। কিন্তু ৪টা ১৯ মিনিটে নুসরাত তাবাসসুম মনোনয়নপত্র জমা দেন। বিলম্ব দেখিয়ে ইসি তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেনি। পরে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।

আদালত ইসিকে নুসরাতের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও আইনানুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে ইসি তার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।

৫ মে, ২০২৬

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত নুসরাত তাবাসসুম, ইসির বিজ্ঞপ্তি

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত নুসরাত তাবাসসুম, ইসির বিজ্ঞপ্তি


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি জোটের প্রার্থী। সোমবার (৪ মে) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) রিটার্নিং কর্মকর্তা ও যুগ্মসচিব মো. মঈন উদ্দীন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন (নম্বর-৫০২২/২০২৬)-এর গত ২৭ এপ্রিলের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ মে নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির মনোনয়নপত্র গ্রহণপূর্বক বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বাছাই কার্যক্রম শেষে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এরপর চূড়ান্তভাবে মনোনীত হওয়ায় জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর ১২(২) ধারা অনুসারে তাকে সংসদ সদস্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

এর আগে, ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে মাত্র ১৯ মিনিট বিলম্বে আসায় রিটার্নিং কর্মকর্তা এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি।

উল্লেখ্য, গত ৩০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন সংরক্ষিত নারী আসনের বাকি ৪৯ জন সংসদ সদস্যের নামের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। প্রকাশিত ওই গেজেট অনুযায়ী, শূন্য পদের বিপরীতে সমানসংখ্যক প্রার্থী থাকায় বিএনপি জোট থেকে ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট থেকে ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে ১ জন নারী সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের সবকটির নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো। নির্বাচিত এই সংসদ সদস্যদের শপথ আয়োজনের জন্য গেজেট এখন সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হবে।

৪ মে, ২০২৬

ট্রাফিক আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা

ট্রাফিক আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা


ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা সিসি ক্যামেরায় শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিশ পাঠানো শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্রের ভিত্তিতে এই অটো জেনারেটেড নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। রোববার (৩ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশর ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং উন্নত নাগরিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং প্রতিবন্ধকতা তৈরিকারী ট্রাফিক আইন অমান্যকারী মালিক ও চালকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে মালিক ও চালকদের ঠিকানায় অটো জেনারেটেড নোটিশ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠানো হচ্ছে। ওই নোটিশ পাওয়ার পর মালিক ও চালকরা ডিএমপি সদর দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করছেন। 

এতে বলা হয়, নোটিশ পাওয়ার পরেও সংশ্লিষ্ট মালিক বা চালকরা ট্রাফিক বিভাগে হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া (সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে বাস্তবায়নের কার্যক্রম সম্প্রতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ার বাইরে সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে মামলার জরিমানা পরিশোধ সংক্রান্ত কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে পরামর্শ দেওয়া হলো। কোনো ব্যক্তি বা অসাধু চক্র ভিডিও বা সিসি ক্যামেরার মামলার নাম ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধের বার্তা দিলে বা প্রতারণার চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা অথবা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিএমপি সম্প্রতি বিভিন্ন ট্রাফিক সিগন্যাল ক্রসিংহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এআই প্রযুক্তিসহ উন্নত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। এসব ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে বিভিন্ন সিগন্যাল বা ক্রসিংয়ে লাল বাতির সিগন্যাল অমান্য করা, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী উঠিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, অবৈধ পার্কিং এবং লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধে ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা মামলা শুরু হয়েছে। 

শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নবনির্বাচিত ৪৯ জন সংসদ সদস্য শপথ গ্রহণ করেছেন। রোববার ( ৩ মে ) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান। 

৩ মে, ২০২৬

সংসদ সদস্য হিসেবে নুসরাতের গেজেট প্রকাশ ঠেকাতে আবেদন মনিরার

সংসদ সদস্য হিসেবে নুসরাতের গেজেট প্রকাশ ঠেকাতে আবেদন মনিরার


ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নুসরাত তাবাসসুমকে গেজেট আকারে প্রকাশ না করার আবেদন জানিয়েছেন মনিরা শারমিন। রোববার (৩ মে) রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক চিঠিতে তিনি এ আবেদন জানান।

সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির শপথ আজ

সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির শপথ আজ


ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আজ শপথ নেবেন। রোববার (৩ মে) রাত ৯টায় সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের লেভেল-১ এ অবস্থিত শপথকক্ষে তাদের শপথবাক্য পাঠ করানো হবে। এর আগে গত ৩০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন (ইসি) গেজেট প্রকাশ করে জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনে মোট ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

গেজেট অনুযায়ী, আসন বণ্টনের ভিত্তিতে ক্ষমতাসীন বিএনপি ও তাদের জোট থেকে ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট থেকে ১২ জন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে ১ জন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

বিএনপি জোট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা হলেন সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুন রায় চৌধুরী, জিবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবীবা, মোসা. সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

জামায়াত জোট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা হলেন নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার, নাজমুন নাহার, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও মাহবুবা হাকিম। এ ছাড়া স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন সুলতানা জেসমিন। অন্যদিকে, একই আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশন বৈধ ঘোষণা করেছে।

২ মে, ২০২৬

এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা


ছবি: সংগৃহীত 

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শনিবার (২ মে) দুপুর ১২টায় নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান চিফ।

৩০ এপ্রি, ২০২৬

এনসিপি নেত্রী নুসরাতের মনোনয়নপত্র বাছাই ২ মে

এনসিপি নেত্রী নুসরাতের মনোনয়নপত্র বাছাই ২ মে

ছবিঃ সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র আগামী ২ মে যাচাই-বাছাই করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। হাইকোর্টের এক আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ইসি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ইসির যুগ্ম সচিব ও নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাইকোর্টের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাছাইয়ের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

ইসির ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২ মে ১১টায় ঢাকার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই বাছাই প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে ২২ এপ্রিল ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন।

২৭ এপ্রি, ২০২৬

সংসদ ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর

সংসদ ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর


ছবি: সংগৃহীত 

‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) আইন, ২০২৬’ প্রণয়নের মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে বর্তমান সংসদ ভেঙে দেওয়ার দাবিতে রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন রাষ্ট্রপতির কাছে এই আবেদন করেন।

২৬ এপ্রি, ২০২৬

জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুর, যুবদলের ৯ কর্মী গ্রেপ্তার

জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুর, যুবদলের ৯ কর্মী গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফাকে অবরুদ্ধ করে গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত সোয়া দুইটার দিকে মাছুম মোস্তফার ব্যক্তিগত সহকারী মো. আল আমিন বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় মামলাটি করেন। 

এসময় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় এক আসামিসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টার দিকে নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ৯ জনের মধ্যে মামলার এজাহারে উল্লেখিত ২০ নম্বর আসামি মো. খায়রুল ইসলাম রয়েছেন, অন্যরা সন্দেহভাজন। তাদেরকে আদালতে তোলার প্রস্তুতি চলছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জানা যায়, মামলায় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে মাছুম মোস্তফার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী পূর্বধলা উপজেলার বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবু তাহের তালুকদারকে প্রধান আসামি করে ৬০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

আসামিদের সবাই স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। এর মধ্যে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম–আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদসহ (বাবু), যুবদল নেতা মো. আনার, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সাজু আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সোলাইমান কবির (পাপ্পু) প্রমুখ রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে মাছুম মোস্তফা একটি মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে উপজেলা সদরে ফিরছিলেন। সন্ধ্যায় পথে শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উপজেলা সদরের আতকাপাড়া গিরিপথ ফিলিং স্টেশনে যান গাড়িতে জ্বালানি তেল ভরার জন্য। পরে গাড়ি রেখে ফিলিং স্টেশনেই নামাজখানায় মাগরিবের নামাজ আদায় করার জন্য যান। কিছুক্ষণ পর ১৫টির মতো মোটরসাইকেলে ২৫ থেকে ৩০ জন যুবক পাম্পে এসে মোটরসাইকেলে তেল নিতে চান এবং সেখানে হট্টগোল সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা মাছুম মোস্তফার গাড়িতে ভাঙচুর চালান। এ সময় মাছুম মোস্তফা নামাজ শেষ করে ঘর থেকে বের হতে চাইলে বিক্ষুব্ধ যুবকেরা তাকে ধাওয়া করে অবরুদ্ধ করে রাখেন। ঘটনার সময় ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বরত কয়েকজন পুলিশ সদস্য ছিলেন। তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছিলেন না।

এমতাবস্থায় খবর পেয়ে ঘণ্টাখানেক পর উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল আলম তালুকদারসহ পূর্বধলা থানা থেকে আরও পুলিশ সদস্য এসে সংসদ সদস্যকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাঠানো গাড়িতে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রাত ১০টার দিকে মাছুম মোস্তফা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, হামলাকারীরা স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী এবং তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়। 

এদিকে আজ সকাল পৌনে ৯টার দিকে সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা বলেন, ‘আমি পাম্পে গাড়ি রেখে নামাজ আদায় করতে গেলে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা আমার গাড়ি ভাঙচুর করে এবং আমার সঙ্গে থাকা উপজেলা জামায়াতের আমির জয়নাল আবেদিনসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। অনেকক্ষণ পর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাবুল আলমসহ পুলিশ সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করে। ঘটনায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহের তালুকদারকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। হামালায় নেতৃত্ব দিয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদ বাবু। তাকে ২ নম্বর আসামি করা হয়। পুলিশের প্রতি আহ্বান জানাই, আসামিদের যেন দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়।’

আজ সাড়ে ৯টার দিকে অভিযোগের বিষয়ে আবু তাহের তালুকদার বলেন, ‘ওই সময় আমি ঢাকায় ছিলাম। সংসদ সদস্যের ওপর হামলার বিষয়টি মোবাইলে শোনার সঙ্গে সঙ্গে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল আলম তালুকদারকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এখন শুনছি উল্টো আমাকে মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে। হামলার বিষয়টি যেমন দুঃখজনক, তেমনি আমাকে আসামি করাতেও নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কারণ, আমি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। আর যতটুকু জানি, আমার দলীয় কোনো নেতা-কর্মী এই হামলা করেননি। আমাকেসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের নামে এটা মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।’

২৩ এপ্রি, ২০২৬

মনোনয়ন বাতিল, যে সিদ্ধান্ত জানালেন মনিরা শারমিন

মনোনয়ন বাতিল, যে সিদ্ধান্ত জানালেন মনিরা শারমিন


ছবি: সংগৃহীত 

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়ন বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত জোট মনোনীত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। তিনি বলেন, ‘আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করব।’

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তার আইনজীবী নাজমুস সাকিব বলেন, ‘প্রার্থিতা ফিরে পেতে আগামী রবিবার নির্বাচন কমিশনে আপিল করা হবে। আশা করি, আপিলে আমরা প্রার্থিতা ফেরত পাব।’

এর আগে বুধবার জামায়াত জোট মনোনীত ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে মনিরা শারমিনের মনোনয়নের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়।

শুনানিতে জানা যায়, মনিরা শারমিন আগে সরকারি চাকরিতে কর্মরত ছিলেন এবং বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন। তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী সরকারি চাকরি থেকে অবসর বা অব্যাহতির পর ৩ বছর অতিক্রান্ত না হলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জিত হয় না। এই বিধান বিবেচনায় নিয়েই তার প্রার্থিতা যাচাই করা হয়।

এ কারণে তার মনোনয়নপত্রের বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় দেয় নির্বাচন কমিশন। এ সময়ের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় এবং তিনি তা দাখিলও করেন।

উল্লেখ্য, সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল অনুযায়ী আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।

নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীরই মনোনয়নপত্র বৈধ

নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীরই মনোনয়নপত্র বৈধ

ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে বিএনপির দাখিল করা ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের বৈধ ঘোষণা করেন।

বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন-সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মৎ ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আগামী ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে। 

২২ এপ্রি, ২০২৬

এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বাতিল, মনিরা শারমিনের মনোনয়পত্র স্থগিত

এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বাতিল, মনিরা শারমিনের মনোনয়পত্র স্থগিত


ছবিঃ সংগৃহীত

সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র স্থগিতের পর দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) এ ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন। মূলত নির্ধারিত সময়ের পরে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় নির্বাচন কমিশন তার আবেদনটি গ্রহণ করেনি।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৪টা ১৯ মিনিটে মনোনয়নপত্র জমা দেন মনোনয়নপত্র জমা দেন। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল বিকাল ৪টা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়ায় কমিশন আইনগতভাবে তার প্রার্থিতা বাতিল বা অযোগ্য ঘোষণা করেছে। 

এদিকে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায় এনসিপির আরেক প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়পত্র স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। আরপিওতে প্রার্থীর অযোগ্যতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২(১)(চ) ধারা অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচতি হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি তিনি প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনও চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসর নিয়েছেন এবং এই পদত্যাগ ও অবসরগ্রহণ যদি তিন বছর অতিবাহিত না হয়।

৮ এপ্রি, ২০২৬

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখেই সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ সংসদে পাস

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখেই সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ সংসদে পাস

ছবিঃ সংরক্ষিত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখেই জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের (সংশোধিত) অধ্যাদেশ। অন্তর্বর্তী সরকার এই অধ্যাদেশ জারি করেছিল। আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এই অধ্যাদেশটি পাশ হয়।

কয়েক দিন আগে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকে’ আইনে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি সরকার। অধ্যাদেশটি সংশোধন করে শাস্তির বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়। আজ সেই সংশোধনীসহ অধ্যাদেশটি পাস হলো।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিএনপি বলেছিল, নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নয় তারা। এ বিষয়ে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু সরকার গঠনের পর বিএনপি অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করল। শাস্তির বিধানসহ এটি আইনে পরিণত হওয়ায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে আরও বেগ পেতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩ অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনে, গত ১৩ মার্চ উত্থাপন করা হয়। সেদিন গঠিত ১৪ সদস্যের বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হলে ৩০ দিন তথা ১২ এপ্রিলের পর তা কার্যকারিতা হারাবে।

গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বিশেষ কমিটি ৯৮টি অধ্যাদেশ পরির্বতন ছাড়াই আইনে পরিণত করতে সংসদে বিল উত্থাপনের সুপারিশ করে। ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়। ১৬টি অধ্যাদেশে এখনই উত্থাপন নয় এবং চারটি রহিত করে হেফাজতের সুপারিশ রয়েছে প্রতিবেদনে।

যে ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল হিসেবে সংসদে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয় এর অন্যতম ছিল—২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’। এই অধ্যাদেশ বলে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ এবং ২০ ধারা সংশোধন করে গত বছর আওয়ামী লীগ এবং দলটির সব সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। একই আইনে ২০২৪ সালের অক্টোবরে নিষিদ্ধ করা হয় ছাত্রলীগকে।

এনসিপি নেতারা গত বছরের ৯ মে রাতে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনার কাছে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। পরে এতে জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন দল যোগ দেয়।

গত বছরের ১১ মে রাতে যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুটি ধারা সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কাজের জন্য জড়িত থাকলে নির্বাহী আদেশে সরকার তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে পারবে। একই দিনে সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।

অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগকে সরাসরি নিষিদ্ধ করেনি। তবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় অধ্যাদেশের ২০ ধারা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ মিছিল-সভা-সমাবেশ করতে পারবে না, দলটির কার্যালয় বন্ধ থাকবে, ব্যাংক হিসাব জব্দ হবে, পোস্টার-ব্যানার প্রচার করতে পারবে না, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিতে পারবে না, গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে তা প্রকাশ করা যাবে না এবং সংবাদ সম্মেলন করতে পারবে না দলটি।

আইনে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ সংগঠন এসব কার্যক্রম পরিচালনা করলে চার থেকে ১৪ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। তবে অধ্যাদেশে বলা হয়নি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন সভা-সমাবেশ করলে কী শাস্তি হবে। ফলে এতদিন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলেও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার শাস্তির বিধান ছিল না।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়েছে সংসদের বিশেষ কমিটি। সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশটি সংসদে পাসের সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মতামতে বলা হয়েছে, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ সত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করলে সাজার বিধান নেই অধ্যাদেশে। সাজার বিধান যুক্ত করা যেতে পারে।’

৭ এপ্রি, ২০২৬

স্পীকারের সাথে ঢাকায় নিযুক্ত ইউএনডিপি এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্পীকারের সাথে ঢাকায় নিযুক্ত ইউএনডিপি এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপি'র সাথে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইউএনডিপি(UNDP) এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার। 

স্পীকারের সাথে এ সময় সাক্ষাৎ করেন ইউএনডিপি এর  উপ-আবাসিক প্রতিনিধি সোনালি দয়ারত্নে, সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি আনোয়ারুল হক, সহকারী প্রোগ্রাম উপদেষ্টা গভর্ন্যান্স ড্রাগন পপোভিক এবং সিনিয়র গভর্ন্যান্স স্পেশালিষ্ট তানভীর মাহমুদ।

সাক্ষাৎকালে তারা ই-গভর্ন্যান্স, ই-পার্লামেন্ট ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বিভিন্ন কর্মকান্ড, জাতীয় সংসদের অধিবেশন, সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, ইউএনডিপি ও জাতীয় সংসদের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নির্ধারণ করতে হবে।ইউএনডিপি নতুন সংসদ-সদস্যদের জন্য ওরিয়েন্টেশন কোর্সের মাধ্যমে তাদের প্রাথমিক দায়িত্ব, কার্যাবলি এবং এখতিয়ারের বিষয় আলোচনায় সহযোগিতা করতে পারে। তিনি বলেন, সংসদ-সদস্যদের মধ্য হতে বিশেষ করে নারী সংসদ সদস্যগণের একটি প্রতিনিধিদল ইউএনডিপি'র সাথে দ্বিপাক্ষিক সফর বিনিময় করতে পারে।

স্পীকার বলেন, বর্তমান সংসদে বিরোধী দল খুবই সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করছে। সরকার সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনে খুবই উদার ও সচেষ্ট।

তিনি বলেন, সংসদে ডিজিটাইজড লাইব্রেরি ব্যবস্থার প্রবর্তন, অধিবেশনকালীন দিনের কার্যসূচিতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার, সংসদের নিজস্ব প্রিন্টিং ও প্রেস থাকা অত্যাবশ্যক।

ঢাকায় নিযুক্ত ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার বলেন, বর্তমান সংসদ অত্যন্ত প্রাণবন্ত। ইউএনডিপি বাংলাদেশ ও জাতীয় সংসদের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সহযোগী। ইউএনডিপি’র সহযোগিতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। 

এসময় তারা চলমান জ্বালানি সংকট ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিয়ে তাদের মতামত বিনিময় করেন। এই পরিস্থিতিতে  ইউরোপের দেশগুলো যেমন- যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্সের নিরপেক্ষ অবস্থানের প্রশংসা করেন।

সাক্ষাৎকালে ইউএনডিপির সংসদ বিষয়ক ফোকাল পার্সন মাহমুদুল হাসানসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৪ এপ্রি, ২০২৬

আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ সংশোধনীসহ পাস হচ্ছে সংসদে

আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ সংশোধনীসহ পাস হচ্ছে সংসদে


ছবি: সংগৃহীত 

  • গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড : কার্যকর হচ্ছে না অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ।
  • বাতিল হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগসহ ৪ অধ্যাদেশ।
  • আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান সংবলিত ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ সংশোধনীসহ পাসের সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা শেষে বিশেষ কমিটি চূড়ান্ত রিপোর্টে এই সিদ্ধান্ত জানায়।

গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির প্রধান জয়নুল আবদিন এমপি এই প্রতিবেদনটি পেশ করেন।আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ে কমিটির সিদ্ধান্ত। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূল অধ্যাদেশে আওয়ামী লীগের নাম উল্লেখ করে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের যে ধারা ছিল, সেখানে কিছু পরিবর্তন বা পরিমার্জন এনে এটি পাসের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ঠিক কী ধরনের সংশোধনী আনা হচ্ছে, তা প্রতিবেদনে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।


রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক জারিকৃত এই অধ্যাদেশে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সত্তা বা সংগঠনের সভা, সমাবেশ, মিছিল এবং প্রকাশনা নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা সরকারকে দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদী শাসনের অভিযোগে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যেই এই আইনটি আনা হয়। বিশেষ কমিটি এই অধ্যাদেশটি সরাসরি বাতিলের তালিকায় না রেখে কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে স্থায়ী আইনে রূপান্তরের পক্ষে মত দিয়েছে।

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান সংবলিত ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ সংশোধনীসহ পাসের সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা শেষে বিশেষ কমিটি চূড়ান্ত রিপোর্টে এই সিদ্ধান্ত জানায়। গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির প্রধান জয়নুল আবদিন এমপি এই প্রতিবেদনটি পেশ করেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূল অধ্যাদেশে আওয়ামী লীগের নাম উল্লেখ করে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের যে ধারা ছিল, সেখানে কিছু পরিবর্তন বা পরিমার্জন এনে এটি পাসের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ঠিক কী ধরনের সংশোধনী আনা হচ্ছে, তা প্রতিবেদনে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক জারিকৃত এই অধ্যাদেশে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সত্তা বা সংগঠনের সভা, সমাবেশ, মিছিল এবং প্রকাশনা নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা সরকারকে দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদী শাসনের অভিযোগে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যেই এই আইনটি আনা হয়। বিশেষ কমিটি এই অধ্যাদেশটি সরাসরি বাতিলের তালিকায় না রেখে কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে স্থায়ী আইনে রূপান্তরের পক্ষে মত দিয়েছে।

গুম ও মানবাধিকার সংক্রান্ত প্রস্তাবনা: গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া কঠোর আইনি পদক্ষেপটি বর্তমান সংসদীয় অধিবেশনে কার্যকর হচ্ছে না। গুমের দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে জারি করা অধ্যাদেশটি আপাতত স্থগিত রাখার সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। সংসদে জমা দেওয়া কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার সংক্রান্ত অধ্যাদেশ’ সহ মোট ১৬টি অধ্যাদেশ বর্তমানে অনুমোদন না দিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরবর্তীতে বিল আকারে পেশ করতে বলা হয়েছে। এর ফলে গুম বিরোধী এই কঠোর আইনের প্রয়োগ আপাতত ঝুলে গেল।

কেন এই স্থগিতাদেশ? কমিটির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মানবাধিকার কমিশন আইনের সংশোধন, তথ্য অধিকার আইন এবং গুম বিরোধী আইনের মতো বিষয়গুলো আরও বিস্তারিত পর্যালোচনার প্রয়োজন। তড়িঘড়ি করে এগুলো পাস না করে পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ বিল হিসেবে সংসদে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে চলতি অধিবেশনে এই অধ্যাদেশটি আর আইনে পরিণত হচ্ছে না।

মৃত্যুদণ্ডের বিধান ও পটভূমি: বিগত সরকারের আমলে ঘটা এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স বা গুমের ঘটনা তদন্ত ও বিচার করতে অন্তর্বর্তী সরকার এই অধ্যাদেশটি জারি করেছিল। এতে গুমকে জামিন অযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং সর্বনিম্ন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছিল। মানবাধিকার কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল গুম বিরোধী আইনটি দ্রুত কার্যকর করা। কিন্তু সংসদীয় কমিটির এই ‘স্থগিত’ রাখার সিদ্ধান্তে বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনটি বাতিল করা হয়নি বরং প্রক্রিয়াগত কারণে এটি পরবর্তী অধিবেশনে বিল হিসেবে আসবে।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগসহ ৪ অধ্যাদেশ বাতিল হচ্ছে: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও পৃথক সচিবালয় সংক্রান্তসহ মোট ৪টি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। এছাড়া বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ, গুম প্রতিরোধ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আরও ১৬টি অধ্যাদেশ আপাতত স্থগিত বা ‘শেলভড’ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

বাতিল হচ্ছে যেসব অধ্যাদেশ: কমিটির প্রতিবেদনে যে ৪টি অধ্যাদেশ বাতিলের (Repealed) প্রস্তাব করা হয়েছে সেগুলো হলো: ১. জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ, ২০২৪। ২. সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫। ৩. সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫। ৪. সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬।

বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতার উদ্যোগের ভবিষ্যৎ: বাতিলের তালিকায় থাকা সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশ মূলত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত ও প্রধান বিচারপতির অধীনে পৃথক সচিবালয় গঠনের লক্ষ্যে জারি করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে অধস্তন আদালতের বিচারকদের বদলি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের হাতে ন্যস্ত করার কথা ছিল। এছাড়া ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’ গঠনের মাধ্যমে বিচারক নিয়োগের স্বচ্ছ প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে বিশেষ কমিটির সুপারিশে এই ঐতিহাসিক সংস্কারগুলো বাতিলের মুখে পড়ল।

বিরোধীদের নোট অফ ডিসেন্ট: বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে ২০টি অধ্যাদেশের ওপর ভিন্নমত (নোট অফ ডিসেন্ট) পোষণ করেছেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা। বিশেষ করে বিচার বিভাগ ও পুলিশ কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়ে তারা আপত্তি জানিয়েছেন।

সোমবার থেকে সংসদে উত্থাপন: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পর্যালোচিত বিলগুলো আগামী সোমবার (৬ এপ্রিল) থেকে পর্যায়ক্রমে সংসদে উত্থাপন করা হবে। সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে এই অধ্যাদেশগুলো অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।


৩০ মার্চ, ২০২৬

বাতিল হচ্ছে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’, উঠবে না সংসদে

বাতিল হচ্ছে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’, উঠবে না সংসদে


ছবি: সংগৃহীত 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের অধিকাংশ যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২ এপ্রিল সংসদে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশেষ কমিটি। তবে গণভোটের অধ্যাদেশের ব্যবহার হয়ে গেছে উল্লেখ করে তা বিল আকারে সংসদে উত্থাপন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে আপত্তি তুলেছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।

এদিকে যেসব অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হচ্ছে, এর মধ্যে মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ কমিশন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয়সহ কয়েকটি অধ্যাদেশের সংশোধনীসহ উত্থাপনের সুপারিশ করেছে সরকারি দল। এর বিরোধিতা করেছেন কমিটিতে থাকা বিরোধী দল জামায়াতের সংসদ সদস্যরা। এমন ১৫ অধ্যাদেশের বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি) দিয়েছেন বিরোধী দলের সদস্যরা।

রোববার (২৯ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদের ক্যাবিনেট কক্ষে বিশেষ কমিটির বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়। রাতে সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে বৈঠকটি চলে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী। তৃতীয় দিনের বৈঠকে শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষ করে কমিটি। ২ এপ্রিল কমিটি সংসদে প্রতিবেদন পেশ করবে।

সংবিধানে গণভোটের বিধান রাখা না রাখা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা প্রসঙ্গে বিশেষ কমিটির সদস্য ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘গণভোটের সাথে গোটা জাতি জড়িত। ওনারা এটি বাতিল করার কথা বলছেন, যা আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। যদি গণভোট সংবিধানবহির্ভূত হয়, তবে একই দিনে হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচন কীভাবে বৈধ হয়? জনগণ “হ্যাঁ” জয়যুক্ত করেছে, সুতরাং গণভোটের রায় কার্যকর করতে হবে—এটাই আমাদের মূল দাবি।’

তবে গণভোটের অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণভোট অধ্যাদেশের ব্যবহার হয়ে গেছে। যে কারণে প্রণয়ন করা হয়েছিল, এটার অধীনে সামনে আর কোনো গণভোট হবে না। এটাকে বিল আকারে এনে আইন বানানোর কোনো অর্থ নেই। এটা রেটিফিকেশনের প্রয়োজন নেই।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন। এতে অংশ নেন কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এ ছাড়া মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, এ এম মাহবুব উদ্দিন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, মুহাম্মদ নওশাদ জমির, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম খান এবং জি এম নজরুল ইসলাম অংশ নেন বৈঠকে। বিশেষ কমিটির আমন্ত্রণে মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠক ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, কিছু মৌলিক বিষয়ে তারা আগে থেকে একমত ছিলেন না। আজও একমত হতে পারেননি। সরকারি দল কিছুটা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে পাস করার চেষ্টা করেছে। যার মধ্যে ১৪-১৫টি বিষয়ে বিরোধী দল নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে। বিশেষ করে মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ কমিশন এবং গুম-খুন প্রতিরোধ কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে তারা আগের মতো দলীয়করণের লাইনে নিয়ে যেতে চাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং বিচারপতি নিয়োগের বাছাই কমিটি, যেগুলো সংস্কারের মাধ্যমে আনা হয়েছিল, সেগুলো তারা রহিত করে আগের অবস্থায় ফিরে যেতে চায়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) স্বাধীনতা খর্ব করার বিষয়েও আমরা তীব্র আপত্তি জানিয়েছি।’

কমিটির বৈঠকে যেসব বিষয়ে একমত হওয়া সম্ভব হয়নি, সেগুলো চূড়ান্ত আলোচনার জন্য পুনরায় সংসদ অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে বলে জানান রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১০-১৫টি বিষয়ে আমরা কিছু সংশোধনীসহ একমত হয়েছি। বাকি যেগুলোতে জনগণের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা আছে, সেগুলোতে আমরা ছাড় দেব না। সংসদে এসব নিয়ে ভোটাভুটি বা বিস্তারিত আলোচনা হবে।’

এ প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘১৩৩টি অধ্যাদেশের প্রতিটির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। অনেকগুলো যেভাবে আছে, সেভাবে পাস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিছু কিছু সংশোধিত আকারে বিল আনা হবে। আর কিছু হয়তো বিল আনার সময় পাওয়া যাবে না। সেগুলো নিয়ে চিন্তা হলো, পরবর্তী অধিবেশনে যেগুলো পাস করতে চাইবে, বিল আকারে আনব।’ 

তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় ও সরকারি দলের সদস্যরা কিছু কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। সেগুলো যথাযথভাবে রিপোর্টে প্রতিফলিত হবে। বিল আকারে যখন উত্থাপিত হবে, তখন আইন প্রণয়নের সময় যার যার বক্তব্য দিতে পারবেন।

২৪ মার্চ, ২০২৬

জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক আজ

জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক আজ

ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিভিন্ন বিষয়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার দায়িত্ব পেয়েছে এই বিশেষ কমিটি। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক বসবে। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন।

গত ১৫ মার্চ স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি সংসদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিভিন্ন বিষয়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করে কোন অধ্যাদেশ বহাল থাকবে এবং কোনটি বাতিল হবে তা যাচাই-বাছাই করবে এই বিশেষ কমিটি। পর্যালোচনা শেষে বিষয়গুলো নিয়ে কমিটিতে আলোচনা হবে এবং পরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

৯ এপ্রি, ২০২৫

বিবাহ এবং তালাক নিবন্ধন করা যাবে অনলাইনে

বিবাহ এবং তালাক নিবন্ধন করা যাবে অনলাইনে


ছবিঃ সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর আইন ও বিচার বিভাগ এর এস. আর. ও. নং- ৯২/আইন/২০২৫, তারিখ- ২৪/০৩/২০২৫ মূলে মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ এর  সংশোধন সংক্রান্ত প্রাজ্ঞাপন জারি করা হয়।  Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 (Act No. LII of 1974) এর section 14 এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ এর উক্ত সংশোধন করেন।  

উক্ত সংশোধন অনুযায়ী এখন থেকে বিবাহ এবং তালাক নিবন্ধন আগের মতো ম্যানুয়াল পদ্ধতির পাশপাশি অনলাইনেও করা যাবে এবং সেক্ষেত্রে নিবন্ধনের ফি জমা দিতে হবে অনলাইনে। এতদিন শুধুমাত্র ম্যানুয়ালি বিবাহ এবং তালাক নিবন্ধন এর সুযোগ থাকার ফলে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা তৈরী হতো। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার লক্ষ্যে এবং একই সাথে দুর্নীতি এবং পাবলিক হ্যারাসমেন্ট কমানোর লক্ষ্যে উক্ত বিধিতে এই সংশোধন আনা হয়।

৫ আগ, ২০২৪

খেলাপি ঋণ আদায়ে ব্যাংকের আইন সেলকে কার্যকর করার নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার প্রকাশ

খেলাপি ঋণ আদায়ে ব্যাংকের আইন সেলকে কার্যকর করার নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার প্রকাশ


ছবি: সংগৃহীত 

মামলা জালে আটকে থাকা খেলাপি ঋণ আদায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিআরপিডি বিভাগ রোববার (আগস্ট ০৪, ২০২৪) ব্যাংকের আইন সেলকে কার্যকর করার নির্দেশ দিয়ে এ সম্পর্কিত বিআরপিডি সার্কুলার নং- ১৪/২০২৪ জারি করে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়, এতদিন খেলাপি ঋণ কমাতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার পর মামলা ছাড়া খেলাপি ঋণ আদায়ে উন্নতি হলেও মামলা আটকে থাকার বিপরীতে খেলাপি ঋণে উন্নতি হয়নি। আবার প্রচলিত ধারাতে মামলার মাধ্যমে খেলাপি ঋণ আদায়ে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও তার উন্নতি হয়নি।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ব্যাংকগুলোতে সামগ্রিক ঋণ ব্যবস্থাপনায় আদায় কার্যক্রম সুসংহত করার ক্ষেত্রে ব্যাংকের আইন বিভাগ বা লিগ্যাল টিমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবল এর ফলে অর্থ ঋণ আদালত ও সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ বা আপিল বিভাগে বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে সহায়ক হবে বলে মনে করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সার্কুলারে আরো উল্লেখ করা হয়, এতে একদিকে আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা কমে আসবে, অন্যদিকে সুষ্ঠু ঋণ ব্যবস্থাপনা  ও ব্যাংকের খেলাপি ঋণ আদায়ের মাধ্যমে শ্রেণিকৃত ঋণের হার কমে আসবে। এতে ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা বাড়বে। এছাড়া খেলাপি ঋণ আদায়ে ব্যাংকগুলোর আইন বিভাগ বা লিগ্যাল টিমের অবয়ব, যোগ্যতা ও আইন কর্মকর্তা ও প্যানেল আইনজীবীদের নিয়োগ পরবর্তী কাজের পারফেন্স পর্যবেক্ষণের ধরনও তুলে ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক।